Latest Posts

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি এবং বিস্তারিত
August 27, 2019

আজ আমরা জানব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি এবং বিস্তারিত । ত চলুন বন্ধরা তাহলে শুরু করা যাক 

কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায় যথা- 

LAN  (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক)
MAN (মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক )
WAN (ওয়াইড এরিয় নেটওয়ার্ক)


LAN (Local Area Network) : লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক(Local Area Network) ,একে সংক্ষেপে ল্যান (LAN) বলা হয় । একই বিল্ডিং এর মাঝে কয়েকটি  কম্পিউটার নিয়ে গঠিত নেটওয়ার্ককে বলা হয় লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network) এই ধরনের নেটওয়ার্কের গঠন খুব সহজ , এর্ং এর জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস সমুহের দাম খুব কম । এই ধরনের নেটওযার্কে ব্যবহৃত ডিভাইস সমুহ হল হাব, সুইচ , রিপিটার । আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN ই ব্যবহার করে থাকি। ছোট-মাঝারি অফিস-আদালত ও ব্যবসা-বাণিজ্যে এ নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য থাকে ডিভাইসসমূহের পরস্পরের মধ্যে তথ্য এবং রিসোর্স শেয়ার করা। ছোট-মাঝারি অফিসে LAN তৈরি করে প্রিন্টার, মডেম, স্ক্যানার, ইত্যাদি ডিভাইসের জন্য সাশ্রয় করা যেতে পারে। 

MAN (Metropolitan Area Network) : মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network)। একে সংক্ষেপে ম্যান (MAN) বলা হয় ।  একই শহরের মধ্যে অবস্থিত কয়েকটি ল্যানের সমন্বয়ে গঠিত ইন্টারফেসকে বলা হয় মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN)। এ ধরনের  নেটওয়ার্ক ৫০-৭৫ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এই নেটওয়ার্কর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড গিগাবিট পার সেকেন্ড। এ ধরনের নেটওয়ার্ক এ ব্যবহিত ডিভাইস গুলো হলো রাউটার, সুইজ, মাইক্রোওয়েভ এন্টেনা ইত্যাদি। 

WAN (Wide Area


মনিটরের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
August 27, 2019

আমারা সবাই মনিটরের সাথে পরিচিত। এটি কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা ছাড়া কম্পিউটারে কাজ করা যায় না। বর্তমানে মনিটর শুধু কম্পিউটারের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং অনেকেই মনিটরকে টিভি কার্ড দিয়ে টিভির বিকল্প হিসাবে ব্যাবহার করছে। আমরা সাধারনত দুই ধরনের মনিটর দেখি। ১. CRT (Cathode Ray Tube), ২.LCD (Liquid Crystal Display) । বর্তমানে বাজারে অনেক ব্র্যান্ড ও মডেলের Monitor পাওয়া যায়। 

 মনিটরের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান 

বর্তমানের নতুন সকল মনিটর LCD (liquid crystal display) or LED (light-emitting diode) এর হয়ে থাকে। আমরা মনিটর ব্যাবহার করার সময় কিছু সমস্যার সম্মুখে পড়ি। আজ আমি মনিটরের কিছু সমস্যা ও তার অল্প কিছু সমাধান নিয়ে আলোচনা করব। 

আমরা অনেক সময় দেখি মনিটরে ছবি আসে না। এটা কিছু কিছু কারণে হতে পারে। যেমন গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা থাকতে পারে বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে যেতে পারে। তাই কানেকশনটি চেক করে দেখুন। অনেক সময় মনিটরের লেড লাইটি জ্বলে নিভে। তখন র্যা মের স্লট পরিবর্তন ও বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখুন। 

সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। আবার অনেক সময় মনিটরে ঝাপসা বা ছবি কাঁপে। তখন বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। তাই সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি আসে তখনই কী-বোর্ডের F8 চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ


কম্পিউটার সম্পর্কিত কিছু অজানা প্রশ্ন ও উত্তরহার।
August 27, 2019

১। কম্পিউটার শব্দের অর্থ কি? – গননাকারী যন্ত্র।
২। আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? – জনক চালর্স ব্যাবেস
৩। কম্পিউটারের স্মৃতি কত প্রকার? -কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত
দুই প্রকার ৪। LCD এর পূর্ণমান লিখ? – Liquid Crystal Display.
৫। PC অর্থ কী? – Personal Computer.
৬। CPU কী? -Central Processing Unit
৭। 1 KB = ? উত্তরঃ 1 KB = 1024 Byte.
৮। কম্পিউটারের আবিষ্কারক কে? – হাওয়ার্ড এ্যাইকিন
৯। কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কি বলে? – Rom
১০। কম্পিউটারে কোনটি নেই?- বুদ্ধি বিবেচনা
১১। ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব (Youtube) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
– স্টিভ চ্যাল ও জাভেদ করিম
১২। কোনটি কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে?
– সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট
১৩। ই-মেইল কি?- ইলেকট্রনিক মেইল
১৪। কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয় কাকে?- মাইক্রো প্রসেসর
১৫। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বা যন্ত্রকে কি বলে? – হার্ডওয়্যার
১৬। বর্তমান কম্পিউটার জগতের কিংবদমিত্ম কে?-বিল গেটস
১৭। কম্পিউটার বায়োস (BIOS) কি? -Basic Input-Output System
১৮। কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে বলা
হয়? -মাদারবোর্ড
১৯। কম্পিউটার র্যাম কি? -স্মৃতিশক্তি
২০। কম্পিউটার পদ্ধতির দুটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে-
-হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অংশ
২১। ইন্টারনেট ব্যবহারে বর্তমানে শীর্ষ দেশ- -চীন
২২। IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার- -Intel 4004
২৩। কত সালে প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চালু হয়? -১৯৭৯
সালে ২৪। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কত প্রকার? -৪ প্রকার
২৫। চ্যাট (Chat) অর্থ কি? -খোশগল্প করা
২৬। বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস কবে থে


ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন কে? ইন্টারনেট তৈরির নেপথ্যের গল্প!
August 27, 2019

ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন কে? ইন্টারনেট তৈরির নেপথ্যের গল্প! 

ইন্টারনেট এর সূচনা হয়েছে কয়েকটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক কাঠামোর সাথে যুক্ত করারর মধ্য দিয়ে। কেউ তখন জানেনি যে, ইন্টারনেট আজকের মত এরকম একটি ভার্চুয়াল দুনিয়াতে রূপান্তরিত হবে। ইন্টারনেট এর মত বিশাল এই ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ককে কোন ব্যাক্তি বা কোম্পানি তৈরি করেনি। যুগে যুগে অনেক কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট,ইঞ্জিনিয়ার,প্রোগ্রামার একটি সংযুক্ত নেটওয়ার্ককে নানা ফিচারে উন্নীত করে আজকের ইন্টারনেটে রূপান্তরিত করেছেন। তাই কখনই ইন্টারনেটের আবিষ্কারকের অবদানটি কেবল একক একজনকে বা একক প্রতিষ্ঠানকে দিলে হবেনা। কেবল একটি পরিপূর্ণ নেটওয়ার্কই নয়, এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি যেমন,আইপি অ্যাড্রেস,ডোমেইন,ইমেইন, প্যাকেট ট্রান্সফারিং ইত্যাদি ইন্টারনেটকে সম্পূর্ণ কার্যকরী করে তুলেছে। আর এগুলো একজন তৈরি করেনি, বছর বছর পরপর বহু অগ্রনী ব্যাক্তিবর্গ এসব আবিষ্কার করেছেন। 

আরপানেটকে বর্তমান আধুনিক ইন্টারনেট এর প্রতিকৃতি তথা মডেল হিসেবে আক্ষায়িত করা হয়। আরপানেটে আধুনিক ইন্টারনেটের মৌলিক পরিকাঠামোটি সর্বপ্রথম প্রকাশ পায়। আরপানেটকে তৈরি করা হয়েছিল আমেরিকান মিলিটারিদের যোগাযোগব্যবস্থা কে আরো কার্যকরী এবং উন্নত করে তোলার জন্য। 

আধুনিক ইন্টারনেট তথা এই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর ধারনার শুরু ছিল একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক থেকে। আর এই নেটওয়ার্কটটির নাম ছিল আরপানেট । এই আরপানেটটি ছিল আমেরিকান অ্যাডভান্সড রিসার্চ এজেন্সি এর তৈরি একটি নেটওয়ার্ক (Advanced Research Projects Agency Network বা ARPAN


দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার এর ব্যবহারার।
August 27, 2019

কম্পিউটার ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার এর ব্যবহার: বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার 

আজকের কম্পিউটার একটি আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র। কম্পিউটার Computer শব্দটি ইংরেজি Compute শব্দথেকে এসেছে। Compute শব্দের অর্থ গণনা করা আর Computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধু হিসাব-নিকাশের কাজ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার নানা ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। 

কম্পিউটার দিয়ে সারা জীবনের হিসাব কয়েক মিনিটে করা সম্ভব। এটি অনেকগুলো নির্দেশ নির্ভুলভাবে ও তড়িৎ গতিতে নির্বাহকরতে পারে। 

কম্পিউটারের নিজের কোন কাজ করার ক্ষমতা নেই। কম্পিউটার আবিষ্কারকগণ এবং ব্যবহারকারীগণই বলে দিচ্ছে তাকে কী করতে হবে এবং কেমন করে করতে হবে। মূলত উপযুক্ত নির্দেশের প্রভাবে কম্পিউটার জড় পদার্থ হতেগাণিতিক শক্তিসম্পন্ন এক বুদ্ধিমান যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। 

একটু জটিল হলো তবে সাধারণ কথা হলো- কম্পিউটার কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে ও সফটওয়্যার এর সহায়তা নিয়ে সচল করা হয় এবং চাহিদা অনুসারে ব্যবহার করা হয়। 

কম্পিউটার বর্তমান অবস্থায় একবারে আসেনি। এটি বিভিন্ন ধাপ বা পর্যায়ে অতিক্রম করে এসেছে। এই এক একটি ধাপ বা পর্যায়কে এক একটি প্রজন্ম বা জেনারেশন বলে। প্রতিটি প্রজন্ম পরিবর্তনের সময় কিছু নতুন বৈশিষ্টসংযোজিত হয় এবং পুরনো বৈশিষ্ট্যগুলোর বিলুপ্তি ঘটে। কম্পিউটারকে প্রজন্ম হিসেবে ভাগ করার প


গুগল ক্রোমের গতি কমে গেলে কী করবেন।
August 27, 2019

বিশ্বের প্রায় অর্ধেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার বা ব্রাউজার হিসেবে বেছে নেন গুগল ক্রোম। জনপ্রিয়তার বিচারে তাই এটি যে শীর্ষে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

আবার কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেয় বলেও দুর্নাম আছে। একসঙ্গে অনেক ট্যাব খুলে রাখা, অপ্রয়োজনীয় এক্সটেনশন যুক্ত করা এবং অনেক প্লাগ-ইনসের ব্যবহার আপনাকে ঝামেলায় ফেলতে পারে। এখানে তাই কিছু চটজলদি পরামর্শ দেওয়া হলো। এগুলো অনুসরণ করে গুগল ক্রোমের গতি বাড়িয়ে আপনার কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারেন। 

অব্যবহৃত প্লাগ-ইন সরিয়ে ফেলুন 

ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে ‘chrome://plugins’ লিখে এন্টার করুন। প্লাগ-ইনসের তালিকা দেখাবে। প্লাগ-ইন ব্যবহার করেন না কিংবা কম ব্যবহার করা হয়, সেটি Disable করে দিন। 

বাকি প্লাগ-ইন আয়ত্তে রাখুন 

অপ্রয়োজনীয় প্লাগ-ইনস মুছে দেওয়ার পর যেগুলো থাকে, সেগুলো যেন ক্রোমের ওপর কম প্রভাব ফেলে সে ব্যবস্থা করে রাখতে পারেন। প্রয়োজন বাদে বাকি সময় এগুলো থামিয়ে রাখা যায়। এ জন্য সেটিংসে গিয়ে একদম নিচে show advanced settings-এ ক্লিক করে privacy-এর নিচের content settings-এ ক্লিক করুন। এরপর plugins থেকে Let me chose when to run plug-in content নির্বাচন করে দিন। এরপর থেকে ফ্লাশ ভিডিওর মতো প্লাগ-ইনসগুলো কার্যকর হওয়ার আগে আপনার অনুমতি নেবে। 

অপ্রয়োজনীয় এক্সটেনশন সরিয়ে ফেলুন 

এক্সটেনশন অনেক সময় কম্পিউটারের মেমোরি ব্যস্ত রাখে। ফলে কমে যেতে পারে কম্পিউটারের গতি। ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে ‘ View More


ফটোশপ এর ৫টি সেরা ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস
August 27, 2019

অ্যাডোবি ফটোশপ ( Adobe Photoshop) একটি গ্রাফিক্স সম্পাদনাকারী সফটওয়্যার। সাধারণ ভাবে সফটওয়্যারটিকে শুধুমাত্র ফটোশপ নামেই ডাকা হয়। এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে অ্যাডোবি সিস্টেমস। অ্যাডোবির সবথেকে জনপ্রিয় সফটওয়্যার এটি। বর্তমানে এই সফটওয়্যারটি ম্যাক ওএস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যারটির ১৩ তম সংস্করণ (ফটোশপ সিএস ৬) প্রকাশিত হয়েছে। থমাস নল (Thomas Knoll) এবং জন নল (John Knoll) নামের দুই ভাই ১৯৮৭ সালে ফটোশপ তৈরির কাজ আরম্ভ করেন। 

ফটোশপ এর বিকল্প  ৫টি সেরা ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস নিয়ে আলোচনা করব। 

প্রতিদিন নানা কাজে আমাদের টুকিটাকি ইমেজ বা ছবি এডিট করার প্রয়োজন পড়ে। ছবি ব্লারিং করা,রিসাইজিং করা ইত্যাদি নানা কারনে আমরা ফটোশপ,পিক্সেলমেটর, পিক্সআর্ট এমনকি গিম্প এর মত ম্যানুপুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। তবে আপনি যদি কেনো প্রোফেশনাল ফটো এডিটর না হন বা কোনে প্রোফেশনাল কাজের জন্য যদি না হয় এবং অকারনেই  এসব ভারী  ভারী ফটো ম্যানুপুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করার কোনো মানেই হয়না। আজকে আমি পাঁচটি ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস সম্পর্কে আলোচনা করব যা আপনার প্রতিদিনকার টুকিটাকি ইমেজ এডিটিংকে অনেকটা সহজ করে দিতে পারবে। 

আমাদের সবারই অনেকক্ষেত্রে নানাকাজে স্ক্রীনশট শেয়ার করার প্রয়োজন পড়ে। অনেকক্ষেত্রে আপনি হয়ত ব্লগ পোস্টে বা ইউটিউব ভিডিওতে টিউটোরিয়াল এর স্বার্থে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনোকারনে যখন স্ক্রীনশট শেয়ার করেন, তখন সেই স্ক্রীনশটে অনেকসময় এমন কিছু অংশ থাকে যা হয়ত আপনি সবার সাথে শেয়ার করতে চাননা; আর এসময় হয়ত আপনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফটোশপ এর মত সফটওয়্যার এর সরনাপন্ন হন এবং আপনি যে সকল অংশ চ


উইন্ডোজ ৮.১ কম্পিউটারে কিভাবে আপগ্রেড করবেন। ?
August 27, 2019

উইন্ডোজ ৮ রিলিজ পাওয়ার পর থেকেই একে নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠে। ওঠাটাই স্বাভাবিক, কারণ উইন্ডোজ ৮ এর প্রকাশের মাধ্যমেই মুলত প্রচলিত ইউজার ইন্টারফেস থেকে টাচ বেজড ইউজার ইন্টারফেসের দিকে তাদের প্রথম পদক্ষেপটি বাড়ায়। উইন্ডোজ ৮ এর মাধ্যমেই আমরা আমাদের এতদিনের পরিচিত ফর্ম-ফ্যাক্টর গুলো যে অচিরেই টাচ বেজড ডিভাইস গুলোকে জায়গা করে দিবে তা উপলদ্ধি করতে শুরু করি। 

আগেই বলা হয়েছে উইন্ডোজ ৮ মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এর নতুন যাত্রার প্রথম পদক্ষেপ, তাই প্রথম পদক্ষেপ পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত না হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু উইন্ডোজ ৮ প্রমাণ করেছে সে তার প্রথম পদক্ষেপটি ফেলেছিল প্রায় ৮০% সঠিক। তবে আমাদের প্রত্যাশা থাকে সবসময়ই ১০০% পাওয়ার, অন্তত মাইক্রোসফটের মত একটা কম্পানির নিকট আমাদের প্রত্যাশার পারদ একটু চড়াই থাকে। 

প্রতি উইন্ডোজের রিলিজের পরই মাইক্রোসফট গ্রাহকদের চাওয়া ও অসুবিধার তথ্য সংগ্রহ করে মাইক্রোসফট। সেই ফিচার গুলো যোগ আর অসুবিধাগুলোর বিয়োগ ঘটে সাধারণত পরবর্তী উইন্ডোজ রিলিজে।তাই উইন্ডোজ ৮ এর রিলিজের পরই গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের নিকট জানায় তাদের প্রত্যাশার কথা। সে সকল প্রত্যাশা আর মাইক্রোসফটের ভবিষ্যত পরিকল্পনার মিশেলেই এসে গেল উইন্ডোজ ৮.১। 

গত ১৮ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী রিলিজ পেয়েছে উইন্ডোজ ৮.১, বর্তমান সকল উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ আরটি গ্রাহকগণ উইন্ডোজ অ্যাপ স্টোর এর মাধ্যমে বিনামূল্যে উইন্ডোজ ৮.১ এ আপগ্রেড করতে পারবেন। এছাড়া একই দিন থেকে বিশ্বের সকল অনলাইন স্টোর এবং রিটেইলারের নিকটও এটি পাওয়া যাচ্ছে।


কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস ও কম্পিউটারের ব্যবহার।
August 27, 2019

ভূমিকা:- যুগেযুগে বিজ্ঞান মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে অভাবনীয় সব আবিষ্কার। এইসবআবিষ্কার মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমে সহজ থেকে সহজতর করে তুলেছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং কার্যক্ষমতাসম্পন্ন আবিষ্কার হলো কম্পিউটার। বিংশ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত এ যন্ত্রটিকে যন্ত্র মস্তিষ্কবলাটা অনেকাংশেই সঙ্গত। বহুমুখী ও বিচত্র কর্মদক্ষতার অধিকারী, দ্রুতগতি সম্পন্ন এই যন্ত্রটি সময়ের অপচয় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি মানুষের কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতেওসহায়ক। শক্তিশালী এ যন্ত্রটির ব্যবহার অপেক্ষাকৃত সহজ, ফলে এটি অতি দ্রুত মানবজীবনের একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। 

কম্পিউটার কী:- আধুনিক কম্পিউটারহলো এমন একটি যন্ত্র যা অসংখ্য তথ্য (Data) গ্রহণ ও ধারণ করতেপারে এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশ অনুসরণ করে উপাত্তগুলোকে গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ এবং যুক্তিমূলক প্রক্রিয়ায় কাজে লাগাতে পারে; সেই সাথে প্রোগ্রাম ঠিক করে দিলে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশকরতে পারে। 

Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ compute থেকে এসেছে। আক্ষরিক অর্থে compute শব্দটির মানে হলো হিসাব বা গণনা করা।সে ক্ষেত্রে computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। তবে বর্তমানে কম্পিউটারকে শুধুমাত্র গণনাকারী যন্ত্র বলা যায় না। আধুনিক কম্পিউটার একই সাথে তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ, গণনা, বিশ্লেষণসহ সকল ধরণের কাজ করতে পারে। 

কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস:- আধুনিক কম্পিউটারআবিষ্কারের পেছনে রয়েছে অসংখ্য উদ্ভাবনী শক্তি সম্পন্ন মানুষের বহু বছরের নিরলস পরিশ্রম এবং গবেষণা। প্রাচী


উইন্ডোজ ১০ এস || ক্লাউড অপারেটিং সিস্টেম || সুবিধা এবং অসুবিধা কি?
August 27, 2019

মাইক্রোসফট এর লেটেস্ট উইন্ডোজ ওএস, উইন্ডোজ ১০ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। মাইক্রোসফট এর ভাষ্যমতে উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে তাদের তৈরি সর্বশেষ এবং সবথেকে ভালো এবং সবথেকে ফিকারপ্যাকড উইন্ডোজ ভার্সন। উইন্ডোজ ১০ রিলিজের পরে থেকে মাইক্রোসফট এই উইন্ডোজ ভার্সনকে বেজ করে অনেক ধরনের প্ল্যান প্রোগ্রাম, অনেক ধরনের ফিচার ইমপ্রুভমেন্ট আপডেট এবং আরো বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট হাতে নেয়। যেমন- রিসেন্টলি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এর জন্য একটি নতুন প্রজেক্ট হাতে নেয় যেটির নাম উইন্ডোজ ১০ অন ARM। তবে উইন্ডোজ ১০ নিয়ে মাইক্রোসফট এর এটিই একমাত্র প্রজেক্ট নয়। উইন্ডোজ ১০ নিয়ে মাইক্রোসফট এর আরো একটি প্রজেক্টের নাম হচ্ছে, উইন্ডোজ ১০ এস (Windows 10 S)। আপনি যদি কখনো ক্রোমবুক ব্যাবহার করে থাকেন অথবা গুগলের ক্রোম ওএস সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলে আপনি উইন্ডোজ ১০ এস এবং উইন্ডোজ ১০ এসের উদ্দেশ্য সম্পর্কেও বুঝবেন। আজকে মাইক্রোসফট এর এই আরেকটি উইন্ডোজ ভার্সন, উইন্ডোজ ১০ এস নিয়েই আলোচনা করবো। 



উইন্ডোজ ১০ এস 

এই প্রজেক্টটি মাইক্রোসফট এর নতুন কোনো প্রজেক্ট না। মাইক্রোসফট তাদের এই নতুন উইন্ডোজ ১০ ভার্সনের ব্যাপারে গত ২০১৭ এর মাঝামাঝি সময়ে এনাউন্স করে। আর এই ভার্সনটি কনজিউমারদের কাছে উইন্ডোজ ১০ ফল ক্রিয়েটরস আপডেটের সাথেই আরেকটি ভার্সন চয়েজ বা বিল্ড চয়েজ হিসেবে রিলিজ করা হয়। উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে মূলত মাইক্রোসফট এর তৈরি সাধারণ উইন্ডোজ ১০ এর একটি লাইটওয়েট ভার্সন। লাইটওয়েট বলতে, এই উইন্ডোজ ভার্সনে কোনো ধরনের থার্ড পার্টি Win32 অ্যাপ বা প্রোগ্রাম চলব না। শুধুমাত্র উইন্ডোজ স্টোরে থাকা সকল ইউনিভার্সাল উইন্ডোজ ১০ অ্যাপ চলবে। যারা ইউনিভার্সাল অ্যাপ চেনেন না, তারা জেনে নিন, উইন্ডোজ ১০ এ উইন্ডোজ স্টোরে গিয়ে


কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা | কম্পিউটারের উপকারিতা কি কি?
August 27, 2019

ছাত্রজীবনকে বলা যায় জীবন গঠনের উপযুক্ত সময়। কেননা এই সময়টাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার পাশাপাশি এমনকিছু গুণ ও দক্ষতা অর্জন করে থাকে, যা সারাজীবন তাদের কাজে লাগবে। বর্তমান যুগ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ৷ কম্পিউটার ছাড়া আজকাল সবকিছু একেবারেই অচল বলা চলে৷ কী করা যায় না কম্পিউটার দিয়ে? অফিসের কাজ থেকে শুরু করে আউটসোর্সিং, স্কুলের সায়েন্স প্রোজেক্ট বানানো, বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যানার তৈরি, কলেজের প্রেজেন্টেশনসহ অনেক কিছুই কম্পিউটারের মাধ্যমে করা সম্ভব। আর কম্পিউটারের কিছু নির্দিষ্ট স্কিল অর্জন করতে পারলে তুমি তোমার সহপাঠীদের তুলনায় এগিয়ে থাকবে কয়েকশো গুণ!


 

কিন্তু এইসব স্কিল শিখতে চাইলে সাথে থাকা লাগবে ইন্টারনেট সংযোগ। ইন্টারনেট সংযোগ তোমাকে পুরো পৃথিবীর নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসবে। এতে করে তোমার কাজ হয়ে উঠবে আরো সহজ ও মজাদার! পরীক্ষার আগে পড়া যেমন জরুরি, তেমনি চাকরিতে ঢোকার আগে কিছু কম্পিউটার স্কিল থাকাও প্রয়োজন।


 

তাই বিদ্যালয়ের অন্যান্য বিষয়গুলোর পাশাপাশি আজকাল শিক্ষার্থীদের বেসিক কম্পিউটার নলেজ থাকাটাও জরুরি। কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান থাকা এখন যেকোনো চাকরির জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইচ্ছা, দক্ষতা এবং আইটি টুলস শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনে বেশ ভাল প্রভাব ফেলে, কিন্তু কেন কোনো বিষয়ের উপর দক্ষতা থাকা জরুরি? চলুন জেনে আসা যাক।কম্পিউটারের উপকারিতা কি কি


 

বাংলা এবং ইংরেজি টাইপিং দক্ষতা:


 

মোবাইলে আমরা সবাই আরামসে টাইপ করতে পারলেও কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে একনাগাড়ে টাইপ করা কিন্তু একটু কষ্টসাধ্য ব্যাপার। টাইপ করার সাধারণ নিয়ম হচ্ছে ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ৪০টি শব্দ এবং বাংলা ২৫